এইচএসসি বাংলা ১ম

অপরিচিতা প্রবন্ধ

অপরিচিতা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

লেখক পরিচিতি:
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও সারদা দেবীর চতুর্দশ সন্তান এবং প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের পৌত্র। তিনি ছিলেন অতুলনীয় ও সর্বতােমুখী
প্রতিভার অধিকারী। মাত্র বারাে বছর বয়স থেকে শুরু করে আশি বছর বয়স পর্যন্ত যিনি অবিশ্রান্তভাবে কবিতা লিখেছেন, গান বেঁধেছেন, গল্প, উপন্যাস, নাটক,
প্রবন্ধ-নিবন্ধে ঐশ্বর্যের বান ডাকিয়েছেন-তাঁর প্রতিভার পরিচয় দেওয়া সংক্ষিপ্ত পরিসরে সম্ভব নয়। তাঁর প্রতিটি সৃষ্টিতে রয়েছে প্রাণশক্তির প্রাচুর্য, আবেগের
গভীরতা, রােমান্টিক মানসের কল্পস্বর্গপরিক্রমা বিশ্বের সঙ্গে বিশ্বাতীত, সীমার সঙ্গে অসীমের, খণ্ডের সঙ্গে পূর্ণের এই মিলনলীলা কোনাে একজন কবির মধ্যে
পাওয়া যায় না। তাই রবীন্দ্রনাথ বিশ্ব সাহিত্যে এক অতুলনীয় প্রতিভা তার তুলনা তিনি নিজেই।

লেখক সম্পর্কিত তথ্যঃ

‍‌‌» পিতাঃ মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
» মাতাঃ সারদা দেবী
» পিতামহঃ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
» জন্মঃ ৭ মে ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দ; ২৫ বৈশাখ, ১২৬৮ বঙ্গাব্দ।
» জন্মস্থানঃ কলকাতার জোড়াসাকো, পৈতৃক নিবাস খুলনা।
» মৃত্যুঃ ৭ আগস্ট, ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ, ২২ শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ।
» প্রথম কবিতাঃ হিন্দুমেলার উপহার (১৮৭৪)
» প্রথম প্রকাশিত নাটকঃ বাল্মিকী প্রতিভা (১৮৮১)
» তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যঃ কবি কাহিনী
» প্রথম কাব্যঃ বনফুল (পত্রিকায় প্রকাশিত)
» প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসঃ বৌ-ঠাকুরাণীর হাট (১৮৮৩)
» তার প্রথম রচিত উপন্যাসঃ করুণা (১৮৭৭)
» প্রথম প্রকাশিত ছােট গল্প ও ভিখারিনী (১৮৭৪)।
» প্রবন্ধ- বিবিধপ্রসঙ্গ (১৮৮৩)
» সম্পাদকঃ মাসিক সাধনা (১৮৯৪), ভারতী, বঙ্গদর্শন
» উপাধি- বিশ্বকবি । ছদ্মনাম- ভানুসিংহ।
» নাইট উপাধি লাভঃ ১৯১৫ সালে।
» নাইট উপাধি বর্জনঃ ১৯১৯ সালে। ইংরেজ কর্তৃক পাঞ্জাবের অমৃতসরে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে।
» রবীন্দ্রনাথ নােবেল পুরস্কার পানঃ গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য (১৯১৩ সালে) (গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ ‘song offerings’)
» পুরস্কার ও সম্মাননাঃ নােবেল পুরস্কার (১৯১৩), কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ডি-লিট (১৯১৩), অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ডি-লিট (১৯৪০), ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ডি-লিট (১৯৩৬)।

অপরিচিতা গল্প পরিচিতি

‘অপরিচিতা’ প্রথম প্রকাশিত হয় প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত মাসিক ‘সবুজপত্র‘ পত্রিকায় ১৩২১ বঙ্গাব্দে (১৯১৪) কার্তিক সংখ্যায়। এটি প্রথম গ্রন্থভুক্ত হয় রবীন্দ্র
গল্পের সংকলন “গল্পসপ্তক” এ এবং পরে, “গল্পগুচ্ছ” তৃতীয় খণ্ডে (১৯২৭)।

রবীন্দ্রনাথের ‘অপরিচিতা‘ সামাজিক সমস্যামূলক গল্পগুলাের মধ্যে অন্যতম। এই গল্পের প্রধান পুরুষ চরিত্র অনুপম । আর কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র কল্যাণী। এ গল্পেই
তিনি প্রথম অমানবিক যৌতুকের বিরুদ্ধে নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রতিরােধের কথা বলেছেন। গল্পটি উত্তম পুরুষের জবানিতে লেখা। গল্পের কথক অনুপম বিশ
শতকের দ্বিতীয় দশকের যুদ্ধসংলগ্ন সময়ের সেই বাঙালি যুবক, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর উপাধি অর্জন করেও ব্যক্তিত্বরহিত, পরিবারতন্ত্রের কাছে অসহায়
পুতুলমাত্র, তাকে দেখলে আজো মনে হয়, সে যেন মায়ের কোল সংলগ্ন শিশুমাত্র। তারই বিয়ে উপলক্ষে যৌতুক নিয়ে নারীর চরম অবমাননা কালে শম্ভুনাথ
সেনের কন্যা সম্প্রদানে অসম্মতি গল্পটির শীর্ষ মুহূর্ত।

অপরিচিতা” মনস্তাপে ভেঙেপড়া এক ব্যক্তিত্বহীন যুবকের স্বীকারােক্তির গল্প, তার পাপস্খলনের অকপট
কথামালা। অনুপমের আত্মবিবৃতির সূত্র ধরেই গল্পের নারী কল্যাণী অসামান্য হয়ে উঠেছে। গল্পটিতে পুরুষতন্ত্রের অমানবিকতার স্ফুরণ যেমন ঘটেছে, তেমনি
একই সঙ্গে পুরুষের ভাষ্যে নারীর প্রশস্তিও কীর্তিত হয়েছে।

তথ্যকণিকা

১। অপরিচিতা গল্পের নায়ক – অনুপম।
২। অনুপমের বর্তমান বয়স – সাতাশ বছর।
৩। অনুপমের আগে বয়স ছিল – ২৩ বছর।
৪। অনুপম পাস করেন – এম.এ।
৫। অনুপমের আসল অভিভাবক – অনুপমের মামা।
৬। অনুপমের চেয়ে অনুপমের মামা বড় ছিল – ৬ বছরের।
৭। অনুপম মানুষ হয় – মার হাতে।
৮। অনুপমের পিতা এককালে – গরিব ছিল।
৯। অনুপমের মা ছিল – গরীব ঘরের মেয়ে।
১০। লক্ষ্মীর মঙ্গলঘট ভরা ছিল – কল্যাণীদের বংশে।
১১। যার রুচি ও দক্ষতায় অনুপমের ষােল আনা নির্ভর ছিল – বিনুদার।
১২। সরস রসনার গুণ আছে – হরিশের।
১৩। ধনীর কন্যা পছন্দ নয় – অনুপমের মামার।
১৪। হরিশ কাজ করত – কানপুরে।
১৫। অনুপমের পিতার পেশা ছিল – ওকালতি।
১৬। অন্নপূর্ণা বলতে – দেবীদূর্গাকে নির্দেশ করে।
১৭। “অপরিচিতা” গল্পে রসিক ছিল – হরিশ।
১৮। সর্বত্র খাতির ছিল – হরিশের।
১৯। কন্যাকে আশীর্বাদ করার জন্য পাঠানাে হলাে – বিনুদাকে।
২০। অনুপমকে আশীর্বাদ করা হয় – বিবাহের তিন দিন পূর্বে।

অপরিচিতা MCQ

তথ্যকণিকা

২১। এয়ারিং ছিল – একজোড়া (বিলাত থেকে আনা)।
২২। গাড়ি এলাে দুই – তিন মিনিট পরে।
২৩। গাড়ি এসে থামল – কানপুরে।
২৪। গহনাগুলাে বেঁধে আনা হয়েছিল – গামছায়।
২৫। ভ্রমণে বের হয়েছেন – কোন এক ফৌজের বড় জেনারেল।
২৬। কল্যাণী নেমেছিল – কানপুর স্টেশনে।
২৭। বরের হাট ছিল – মহার্ঘ।
২৮। বিনুদা ছিল অনুপমের – পিস্তুতাে ভাই।
২৯। অনুপমের মামা কল্যাণীকে আশীর্বাদ করেছিলেন – একজোড়া এয়ারিং দিয়ে।
৩০। কলিকাতার বাইরে সমস্ত পৃথিবীকে আন্ডামান দ্বীপ মনে করতেন – অনুপমের মামা।
৩১। লক্ষ্মী কীসের দেবী – ধন ও ঐশ্বর্যের দেবী।
৩২। অনুপমের দৃষ্টিতে মামার যাত্রা – কোন্নগর পর্যন্ত।
৩৩। বেয়াই সম্প্রদায়ের যে গুণ থাকা দোষের তা হল – তেজ।
৩৪। সমস্ত বাংলাদেশে কন্যাপক্ষ কর্তৃক ফিরিয়ে দেয়া একমাত্র পাত্র – অনুপম।
৩৫। অনুপমের মামার লক্ষ্য ছিল – জীবনে ঠকিবেন না।
৩৬। বিয়ে ভেঙে যাওয়ার কত বছর পরও অনুপম আশা ছাড়তে পারেনি – চার বছর।
গল্পে উল্লেখিত ফুলের নাম – রজনীগন্ধা, শিমুল, বকুল।
৩৭। অনুপমের মামা বয়সে অনুপমের চেয়ে বড় ছিল – বছর ছয়েক।
৩৮। অনুপমদের বাড়ি – কলিকাতা।
৩৯। ‘অপরিচিতা‘ গল্পে উল্লেখিত দ্বীপের নাম – আন্ডামান দ্বীপ।
৪০। দেখতে সুন্দর অথচ খাওয়ার অনুপযােগী ফল – মাকাল।

অপরিচিতা MCQ

আরও কিছু তথ্য

৪১। স্বদেশি রাজবন্দিদের নির্বাসনে পাঠানাে হতাে – আন্ডামান দ্বীপে।
৪২। বিয়ের দেবতা – প্রজাপতি।
৪৩। গানের যে অংশ দোহাররা বারবার পরিবেশন করে – ধুয়া।
৪৪। ‘অপরিচিতা’ গল্পে বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের অধিকারী নারী – কল্যাণী।
৪৫। যে পাথরে ঘষে সােনার খাঁটিত্ব যাচাই হয় – কষ্টিপাথর।
৪৬। বিশেষ কাজে মামা একবার গিয়েছিলেন – কোন্নগর।
৪৭। ছুটিতে হরিশ কোথায় এসেছে – কলকাতায়।
৪৮। গজাননের ছােট ভাই হল – কার্তিক।
৪৯। শম্ভুনাথের কোন সম্পর্কটাকে স্থায়ী করার ইচ্ছা নেই – ঠাট্টার সম্পর্কটাকে।
৫০। বিবাহ উপলক্ষে কন্যাপক্ষকে আসতে হলাে – কলকাতায়।
৫১। অন্নপূর্ণার কোলে গজাননের ছােট ভাইটি হল – অনুপম।
৫২। অনুপমের বন্ধুর নাম – হরিশ।
৫৩। ওকালতি করে প্রচুর টাকা রােজগার করেছেন – অনুপমের পিতা।
৫৪। “অপরিচিতা” গল্পটি যে জবানিতে লেখা – উত্তম পুরুষের।
৫৫। অনুপমের ভাগ্যদেবতার প্রধান এজেন্ট ছিল – অনুপমের মামা।

অপরিচিতা MCQ

অপরিচিতা তথ্যকণিকা

৫৬। আসর জমাতে অদ্বিতীয় ছিল – হরিশ।
৫৭। “অপরিচিতা” গল্পের নায়িকার বয়স ছিল – পনেরাে বছর।
৫৮। ভাষা অত্যন্ত আঁট ছিল – বিনুদার।
৫৯। “অপরিচিতা” গল্পে বড়ই চুপচাপ ছিল – শম্ভুনাথ বাবু।
৬০। মাকে নিয়ে অনুপম চলল – তীর্থে।
৬১। শম্ভুনাথ সেনের পেশা – ডাক্তারি।
৬২। ভিড়ের মধ্যে দেখলে যাকে সকলের আগে চোখে পড়বে – শম্ভুনাথ বাবুকে।
৬৩। গাড়ির মধ্যে ঘুমায় – অনুপমের মা।
৬৪। মেয়েদের শিক্ষার ব্রত গ্রহণ করেছেন – কল্যাণী।
৬৫। কল্যাণীর পিতা বর্তমানে বাস করছেন – পশ্চিমে।
৬৬। বিবাহের সময় অনুপম ও কল্যাণীর বয়সের ব্যবধান ছিল – আট বছর।
৬৭। কন্যা/কল্যাণীর পিতার নাম – শম্ভুনাথ সেন।
৬৮। বিবাহের দিন কল্যাণী শাড়ি পরেছিল – লাল রঙের।
৬৯। গজাননের ছােট ভাই হল – কার্তিক।
৭০। শম্ভুনাথের কোন সম্পর্কটাকে স্থায়ী করার ইচ্ছা নেই – ঠাট্টার সম্পর্কটাকে।
৭১। যে পাথরে ঘষে সােনার খাঁটিত্ব যাচাই হয় – কষ্টিপাথর।
৭২। ‘অপরিচিতা’ গল্পে বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের অধিকারী নারী – কল্যাণী।
৭৩। ছুটিতে হরিশ কোথায় এসেছে- কলকাতায়।
৭৪। বিশেষ কাজে মামা একবার গিয়েছিলেন – কোন্নগর।

অপরিচিতা MCQ

অপরিচিতা গল্পের উক্তিগুলো

০১। “বাবাজি, একবার এই দিকে আসতে হচ্ছে” উক্তিটি – শম্ভুনাথবাবুর।
০২। “ঠাট্টা করিতেছেন নাকি” উক্তিটি – অনুপমের মামার।
০৩। “আজও আমাকে দেখিলে মনে হইবে, আমি অন্নপূর্ণার কোলে গজাননের ছােট ভাইটি।” উক্তিটি করেন – অনুপম।
০৪। “আকাশে তাহার দৃষ্টি, বাতাসে তাহার নিঃশ্বাস, তরুমর্মরে তাহার গােপন কথা।” উক্তিটি করেন – অনুপম।
০৫। “কাজেই বাপ কেবলই সবুর করিতেছেন, কিন্তু মেয়ের বয়স সবুর করিতেছে না।” – উক্তিটি অপরিচিতা গল্পের।
০৬। “মন্দ নয় হে! খাঁটি সােনা বটে!” — উক্তিটি করেন-বিনুদা।
০৭। “আমার ভাগ্যে প্রজাপতির সঙ্গে পঞ্চশরের কোনাে বিরােধ নাই।” উক্তিটি – অনুপমের।
০৮। “ভিড়ের মধ্যে দেখিলে সকলের আগে তাঁর উপরে চোখ পড়িবার মতাে চেহারা।”- উক্তিটি শম্ভুনাথবাবু সম্পর্কে বলা হয়েছে।
০৯। “আমি একটু ঘাড়-নাড়ার ইঙ্গিতে জানাইলাম, এসব কথায় আমার সম্পূর্ণ অনধিকার।” উক্তিটি – অনুপমের।
১০। “ঠাট্টার সম্পর্কটাকে স্থায়ী করিবার ইচ্ছা আমার নাই” উক্তিটি করেন – শম্ভুনাথ বাবু।
১২। “না, আপনি যাইতে পারিবেন না, যেমন আছেন বসিয়া থাকুন” উক্তিটি – কল্যাণীর, অনুপমকে উদ্দেশ্য করে করেন।
১৩। “সে যে আমার চিরজীবনের গানে ধুয়া হইয়া রহিল।” – উক্তিটি কল্যাণী সম্পর্কে করা হয়েছে।
১৪। অনুপমের মামা সংসারটাকে নিজের অন্তরের মধ্যে শুষে নিয়েছেন – ফল্গুর বালির মতাে।
১৫। পণ্ডিতমশায় অনুপমকে যে ফুল ও ফলের সাথে তুলনা করতেন – শিমুল ফুল ও মাকাল ফল।
১৬। বিয়ের আসরে স্যাকরা নিয়ে যাওয়ায় প্রমাণিত হয় – অনুপমের মামার বিশ্বাসের অভাব ছিল।
১৭। “শিগগির চলে আয় এই গাড়িতে জায়গা আছে” – উক্তিটি কল্যাণীর।

শব্দার্থ:

» অন্নপূর্ণা – অন্নে পরিপূর্ণা, দেবী দূর্গা।
» গণ্ডুষ –
» স্বয়ংবরা – যে মেয়ে নিজেই স্বামী নির্বাচন করে।
» উমেদারি – প্রার্থনা, চাকরির আশায় অন্যের কাছে ধরনা দেওয়া।
» কোন্নগর – কলকাতার নিকটস্থ একটি স্থান।
» কন্সট – নানা রকম বাদ্যযন্ত্রের ঐকতান।
» সওগাদ – উপঢৌকন, ভেট।

» রসনচৌকি – শানাই, ঢােল ও কাঁসি এই তিনবাদ্যযন্ত্রে সৃষ্ট ঐকতানবাদন।
» মহানির্বাণ – সব রকমের বন্ধন থেকে মুক্তি।
» প্রদোষ – সন্ধ্যা।
» গজানন – গজ আনন যার, গণেশ। একমুখ বা এককোষ জল।
» অন্তঃপুর – অন্দরমহল, ভেতরবাড়ি।
» গুড়গুড়ি – আলবােলা, দীর্ঘ নলযুক্ত হুকাবিশেষ।
» আন্ডামান দ্বীপ – ভারতীয় সীমানাভূক্ত বঙ্গোপসাগরের দ্বীপ বিশেষ।

» মনু – বিধানকর্তা বা শাস্ত্রপ্রণেতা মুনি বিশেষ।
» অভিষিক্ত – অভিষেক করা হয়েছে এমন।
» লােক-বিদায় – পাওনা পরিশােধ।
» অভ্র – এক ধরনের খনিজ ধাতু।
» কলি – পুরাণে বর্ণিত শেষ যুগ। কলিযুগ, কলিকাল।
» একপত্তন – একপ্রস্থ।
» জড়িমা – আড়ষ্টতা, জড়ত্ব।
» কানপুর – ভারতের একটি শহর।
» খাসা – চমৎকার।

» ফল্গু – ভারতের গয়া অঞ্চলের অন্তঃসলিলা নদী। নদীটির ওপরের অংশে বালির আস্তরণ কিন্তু ভেতরে জলস্রোত প্রবাহিত।
» মৃদঙ্গ – মাটির খােলের দুপাশে চামড়া লাগানাে এক ধরনের বাদ্যযন্ত্র।
» মঞ্জুরী – কিশলয়যুক্ত কচি ডাল, মুকুল।
» মকুরমুখাে – মকর বা কুমিরের অনুরূপ।
» স্যাকরা – স্বর্ণকার।

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button